1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মিনিকেট নামে চাল বাজারজাত বন্ধের নির্দেশ ভোক্তা অধিদফতরের - Janatar Jagoron
শিরোনাম

মিনিকেট নামে চাল বাজারজাত বন্ধের নির্দেশ ভোক্তা অধিদফতরের

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১১৭ বার পঠিত
মিনিকেট নামে চাল বাজারজাত বন্ধের নির্দেশ

চাল নিয়ে ধোঁকা নয়, ভোক্তার দাবি এবার সত্যিকারের নাম!
অনলাইন ডেস্ক

চালের বাজারে অস্থিরতার মধ্যে করপোরেট কোম্পানিগুলোকে ‘মিনিকেট’ নামে চাল বাজারজাত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ৩০ দিনের মধ্যে নির্দেশনা কার্যকর না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান। রোববার (১৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

বাজারে ‘মিনিকেট’ নামে বিক্রি হওয়া চালের আদৌ কোনো স্বীকৃত ধান জাত নেই। আসলে মোটা চালকে ছাঁটাই ও চকচকে করে এই নামে বিক্রি করা হয়। এতে করে প্রতি কেজিতে ৮৫ টাকা পর্যন্ত খরচ করে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তা।

এ অবস্থায় মিনিকেট নামে চাল বাজারজাত করাকে সরাসরি প্রতারণা উল্লেখ করে তা বন্ধে একাধিক পদক্ষেপ নেয় সরকার। কিন্তু তাতেও সুফল মেলেনি। এবার নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ডিজি আলীম আখতার বলেন, ‘মিনিকেট নামে চাল আর বিক্রি করা যাবে না। ৩০ দিনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এখন থেকে চালের প্যাকেটে ধানের প্রকৃত নাম ব্যবহার করতে সম্মত হয় করপোরেট কোম্পানিগুলো। তবে তাদের দাবি, কৃষক ও মিল পর্যায়ে ধানের জাত সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

আকিজ ফুডের সাপ্লাই চেইনের প্রধান তোফায়েল হোসেন বলেন, ‘ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই। কিন্তু বাস্তবে কৃষকরা সেই নামে ধান চাষ করে বিক্রি করছেন, ট্রেডাররাও কিনে আমাদের দেন, আমরাও সেই অনুযায়ী বিক্রি করি।’

এই প্রেক্ষিতে চালের সত্যিকারের পরিচয় নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং জোরদার ও অনুমোদনহীন চাল বাজারজাত বন্ধে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর—বলেন তিনি গণমাধ্যমকে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..